Sunday, July 16, 2017

A nostalgic blabber on Jagga Jasus

This is one of the daring mainstream Hindi movies in recent times. Good to see a totally different kind of storytelling. It's amazing that, in the peak time of his career, Ranbir Kapoor chose such a movie to be a part of. Anurag Basu also deservs a special credit to materialize this movie. Surely, the film has everything in it, to be a flop among the Indian viewership. We can watch the flying cars out of nowhere in Salman-Sharukh's or foreign movies, but can't appreciate such excellent cinematography. We can love La-la-land, but not an Indian musical.

Anyway, this movie becomes closer to my heart, because of the parellels that it creates, related some of the fond childhood memories and movies. Those parallels become evident, just into the first few minutes of the movie. Early on, we discover that all the dialogues are rhymes. Just like what we watched and heard in our favourite Bengali classic, Satyajit Ray's Hirak Rajar Deshe. However, Anurag improves it by making the English subtitles rhythmic as well. Ray only tried rhythms for the Bengali dialogues. Anuraag and his team deserve a special credit for putting all this hard work together. Moreover, we all know how Hirak Rajar Deshe was a satirical depiction of the India Gandhi's emergency period. Similarly, Jagga Jasoos also touches some sensitive issues of the current government, with subtelty and humour.

And then there's reference to Shundi. Shundi, as probably many of us know, is one of the kingdom in the Satyajit Ray's famous children film, "Gupi Gain Bagha Bain". Here, Jagga finds his beloved lost father in the land of happiness, named Shundi. Then, there is a sequence of catching a train which has already passed a certain station. Jagga, the investigator chases down the train with a small plane. In our iconic Indian adventure film, "Sonar Kella", our own idol investigator, Feluda tries catching a passed train by riding a camel in a dessert. And, there are so many more parallels like these ones. Seeing all those, it feels like that Anurag has probably made this film with his "Agapashtala" (means "all along") Bengali part of his heart.

But as with most things in the world, everything is not good in the movie. It's too long. Although I am in favour of artistic freedom, but some songs can really be kept for promotion. A part of those songs could be included in the movie. Also, the ending of the story was stretched unnecessarily long, when the end became pretty obvious at some point. Easily, 30 minutes or more could be saved. Anurag should have understood that a musical is good, only for maximum 2 hours.

Finally, the movie is about boldness and showing what Indian directors are capable of, if they make movies by their heart and not for money. So, cheers to that boldness and independence of art!

P.S - The movie's base-story is the Purulia Arms Drop Case. Thanks to Anurag for bringing this up. You can web-search about this case. But in a nutshell, Congress and Ananda Margis (a dubious Hindu outfit) purportedly tried toppling the democratically elected West Bengal government in 1995 with the help of CIA, by providing firearms from the foreign bodies. So, yeah, Bijan Setu massacre was unfortunate, but some intentions were pretty clear.

Saturday, July 08, 2017

পৃথিবীর নতুন শক্তির সমীকরণে চীনের অবস্থান - China's position in the new world order

কিছুদিন আগে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের Mar-a-lago রিসর্টে সপত্নীক এসেছিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট Xi Jinping. সেখানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের স্ত্রী, মেয়ে, নাতনীরাও উপস্থিত ছিলেন। মানে অনেকটা ওই ফ্যামিলি গেট-টুগেদারের মতন। তো এরকম পরিস্থিতিতে যেরকম হয়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এক নাতনী তার বাচ্চা-বাচ্চা গলায় একটা চীনের গান শোনালো। গানটার আসল মালিক হলেন চীনের খুব জনপ্রিয় গায়িকা Peng, চীনের প্রেসিডেন্ট Xi-এর স্ত্রী। এবার আবার একটু ভাবুন, ঠিক কি ঘটলো। সামরিক দিক থেকে বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী দেশের প্রেসিডেন্টের নাতনী, বিশ্বের একটি উঠতি দেশের রাষ্ট্রপতির স্ত্রীর গান শোনাচ্ছে। তাও এমন একটা ভাষায়, যা কিনা ইংরাজীর থেকে সম্পূর্ণ রকম ভাবে আলাদা, এবং বিশ্বের অন্যতম কঠিন একটি ভাষা, চীনা ভাষায়।

এবার আর একটা ঘটনার দিকে চোখ রাখা যাক। প্যারিসে কিছুদিন আগে হয়ে গেলো বিশ্বের গুরুত্ত্বপূর্ণ দেশের প্রধানদের নিয়ে আবহাওয়া-বিষয়ক সম্মেলন এবং আলোচনা। যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বললেন যে, তারা এই সম্মেলনে সব দেশের মিলিতভাবে নেওয়া সিদ্ধান্ত মানবেন না। কিন্তু অন্য একটি ছোট্ট ঘটনার দিকে আমরা চোখ রাখবো। এই সম্মেলন চলাকালীন, যখন অন্তিম বক্তৃতাগুলি হচ্ছে, তখন সবকটি গুরুত্ত্বপূর্ণ দেশপ্রধানরা মঞ্চে উপস্থিত। সেখানে যখন সবথেকে গুরুত্ত্বপূর্ণ বক্তৃতাটার সময় আসলো, তখন হঠাৎই, আচম্বিতে, জার্মানির রাষ্ট্রপ্রধান Angela Merkel চীনের প্রেসিডেন্ট Xi-কে বলেন এগিয়ে যেতে। Angela-এর সাথে বাকিরাও একই কথা বলেন। Xi খানিকটা অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন, কারণ তিনি এই ঘটনায় একটু চমৎকৃত হয়ে গেছিলেন। যাই হোক, শেষ পর্যন্ত তিনি বক্তৃতা দেন। কিন্তু এর মানেটা এই, যে বিশ্বের প্রথমসারির নেতারা আবহাওয়ার মতো গুরুত্ত্বপূর্ণ বিষয়ে চীনকে অন্যতম প্রধান কান্ডারির দায়িত্ত্ব দিলেন, ভরা মঞ্চের উপর দাঁড়িয়ে ।

প্রশ্ন আসতে পারে, হঠাৎ এই দুটো আপাতভাবে বিচ্ছিন্ন ঘটনা কেন বললাম। কারণ দুনিয়ার power-structure-এ একটা tectonic shift যে আসতে চলেছে, এই দুটি ঘটনা তারই ইঙ্গিতবাহী। ১৯৪০-এর সময় থেকে পৃথিবীর সুপারপাওয়ারের ভূমিকা পালন করছিলো সোভিয়েত এবং আমেরিকা। ১৯৯০-এর পর থেকে সেই জায়গাটার দখল নেয় শুধুই আমেরিকা। কিন্তু গত ১০-১৫ বছরে চীনের দুর্দান্ত গ্রোথ-এর পর আপাতত সেটার পরিবর্তন হতে চলেছে। পৃথিবীকে লিড করার জায়গাটা এখন সারা বিশ্বই তুলে দিচ্ছে চীনের হাতে। সেটা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প (অনিচ্ছায়) হোক, বা জার্মানির Angela Merkel. চীনের অর্থনৈতিক অবস্থার অভাবনীয় উন্নতি চীনকে এখন এই লিড করার জায়গায় এনে দাঁড় করিয়েছে। কিন্তু চীন কি আদৌ প্রস্তুত এই দায়িত্বে?

মনে করুন, প্যারিসে কিভাবে চীনের প্রেসিডেন্ট অপ্রস্তুত হয়ে পড়েছিলেন, ইতস্তত করছিলেন লিডারের ভূমিকা পালন করতে। ঠিক সেভাবেই, চীন খুব অদ্ভুত পরিস্থিতির সম্মুখীন। একাধারে তারা আজ পর্যন্ত কোথাও আমেরিকার মতো বড়দার ভূমিকা পালন করেনি। তারা যেসব আগ্রাসী নীতি ভারত মহাসাগর, প্রশান্ত মহাসাগর, বা জাপানের কাছাকাছি নিয়েছে, তার বেশিরভাগই নিজেদের রক্ষার্থে। সেক্ষেত্রে তাঁদের আমেরিকার মতো লিড করার কোনো ইচ্ছে আছে বলে মনে হয় না। এটা পৃথিবীর সামগ্রিক কূটনীতির দিক থেকে যেমন ভালো খবর, তেমনি থেকে যাচ্ছে কিছু প্রশ্নচিহ্নের জায়গা।

আমেরিকার কাছে এমন একটা শক্তি আছে, যা চীনের ভাণ্ডারে প্রায় নেই। আপনি আমেরিকার সিনেমার কথা শুনতে পাবেন, আমেরিকার গানের কথা শুনতে পাবেন। আমরা বব ডিলান শুনি, Martin Scorsese-র ছবি দেখি, লিওনার্ডো-ডি-ক্যাপ্রিও কে ভালোবাসি। কিন্তু বলুন তো আপনি চীনের শেষ কোন সিনেমাটি দেখেছেন? বা চীনের শেষ কোন গানটা আপনার ভালো লেগেছে? ঠিক এই জায়গাটাই চীনের ক্ষেত্রে খুব আশংকাজনক। আমরা তাদের কালচার সম্পর্কে খুব কম জানি। ফলে, তাদের কাছে আমেরিকার মতো soft-power-টা প্রায় অনুপস্থিত। এই ধরণের রক্ষণাত্মক অবস্থান নিয়ে পৃথিবীকে লিড করা খুব কষ্টকর। কিন্তু চীনের ইতিহাসটাও এক্ষেত্রে জানা প্রয়োজন। যে জাতিটা বারবার বাইরের শক্তিগুলোর দ্বারা সম্পূর্ণ রক্তাক্ত হয়ে নিঃশেষ হওয়ার দোরগোড়ায় পৌঁছেছিল, যে জাতিটা আবহাওয়ার খামখেয়ালি গ্রাসে বারবার বিধ্বস্ত হয়েছে, তারা যে রক্ষণাত্মক নীতি থেকে খুব সহজে বেরোবে না, সেটাই স্বাভাবিক।

আর সব থেকে বড় উদ্বেগের বিষয় হল চীনের কম্যুনিস্ট পার্টি। এরা এমনই একটি পার্টি, যার ভিতরের কার্যকলাপ সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান শূন্য। আমরা শুধু জানি, এরা meritocracy-তে বিশ্বাস করে, এরা দেশের মধ্যে অনেক সোশ্যালিস্টিক পলিসি নিয়েছে জমি, স্বাস্থ্য এসব বিষয় নিয়ে। আবার আমরা এটাও জানি, এই পার্টিই আমেরিকার উদারবাদের অন্যতম ফায়দা তুলেছে। স্টেট্ ক্যাপিটালিজমের সুযোগ নিয়ে তাঁদের দেশকে এক ধাক্কায় অনেকটা এগিয়ে নিয়ে এসেছে। কিন্তু এই পার্টির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে আমরা সম্পূর্ণ ব্ল্যাঙ্ক, কারণ এই পার্টি একদমই স্বচ্ছ নয়, বাইরের জগতের পরিপ্রেক্ষিতে। এরা কি আদৌ এদের ম্যানিফেস্টো মেনে চলবেন, নাকি সম্পূর্ণ অন্য দিকে চীন তথা বিশ্বকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন, সে সম্পর্কে আমরা কিছুই জানিনা। এরই মধ্যে আরো উদ্বেগের খবর - চিনে গত এক বছরেই মিলিয়নিয়ারের ভালো রকমের সংখ্যাবৃদ্ধি। (যদিও ক্যাপিটালিজমে সেটাই প্রত্যাশিত)

সুতরাং সব মিলিয়ে চীনের এই আবছায়া অবস্থান আপাতত বিশ্বের ভবিষ্যৎটাও বেশ আবছা করে রেখেছে। সামনের কয়েক বছরে ওদের দিকেই আমরা তাকিয়ে থাকবো খুব গুরুত্ত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্তের জন্য। তার মধ্যে সব থেকে আগে থাকবে, আবহাওয়ার বিষয়টি। চীন ইতিমধ্যে renewable energy-তে বিপুল ইনভেস্টমেন্ট আরম্ভ করেছে, সেটা আরো অনেকটা বাড়ানো দরকার। এছাড়াও middle-east-এর অনন্তকাল ধরে ঘটে যাওয়া কনফ্লিক্টগুলোর প্রতি চীন কি অবস্থান নেয়, সেটা খুব গুরুত্ত্বপূর্ণ। চীন আফ্রিকার দিকেও নজর দেওয়া শুরু করেছে, যদিও সেটা ব্যবসার স্বার্থে, কিন্তু আফ্রিকার গরিবদের দারিদ্র্য ঘোচাতে ব্যবসাও সহায় হলে সেটা মানুষগুলোর মঙ্গলেই হবে বলে মনে হয়। আর সর্বোপরি আশা করা যায়, চীন আমাদের আর একটা আমেরিকা হয়ে দেখা দেবে না।

Tuesday, July 04, 2017

Bhalobasar Shohor - Movie Opinion

বাচ্চাটাকে বাঁচানো গেলো না।

মা-টা বেশ খানিকটা চেষ্টা করেছিল। পঙ্কিলতায় ডুব দিয়েছিল। বাবা-টা সম্মুখ সমরে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু এতদসত্ত্বেও বাচ্চাটাকে বাঁচানো গেল না। তবে এই ধরণের বাচ্চাদের কি বাঁচানো যায়? শুধু মা-বাবার ভালোবাসা দিয়ে কি কোনো শিশু বেঁচে থাকতে পারে? খাওয়া-পড়া-পরিবেশ এসবকিছুরও তো দরকার। আর পরিবেশ তো সর্বাগ্রে সেই শিশুর বিপরীতে। কারণ সে তো জন্ম নিয়েছে, হিন্দু-মা আর মুসলমান-বাবার ঘরে।

"ভালোবাসার শহর"-নামক ছোট দৈর্ঘ্যের ছবি বানাতে বানাতে পরিচালক ইন্দ্রনীল রায়চৌধুরী কি ভেবেছিলেন, জানি না। তবে ছবির ওই ছোট্ট শিশুটার সাথে পশ্চিমবঙ্গকে রূপক হিসেবে বেশ মেলানো যায়। শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গকে তার অভিভাবকরাই মেরে ফেলবেন, টুঁটি টিপে। কিছুটা হতাশায়, কিছুটা নিরুপায় হয়ে। রাজ্যের প্রতি ভালোবাসার মৃত্যু ঘটবে ভালোবাসারই শহরে। সেদিকেই এগোচ্ছি আমরা। সেদিকেই রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গবাসী। ধর্মের জিগির তুলে রাজ্যকে ভাগ করার যে ক্ষমতালোভী খেলায় দুটি রাজনৈতিক দল নেমেছে - তাতে পাল্লা দিয়ে নাচতে উদ্যোগী হচ্ছেন আমার রাজ্যবাসী। এই দৃশ্য দূর থেকে দেখা ও শোনা, বড়ই কষ্টের।

তবে ইন্দ্রনীল বাবু স্বতন্ত্রভাবে ছবি বানিয়ে অন্য এক আশার কথা শুনিয়ে গেলেন। যেভাবে YouTube আর Vimeo-তে সিনেমাটা release করে দিলেন, সেটা ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক। বড় দৈর্ঘ্যের ছবিও এভাবে release হোক, সেটা চাইবো। কিন্তু এসব ছাড়াও সিনেমাটির মধ্যে একটা লুকোনো সারল্য আছে। সেটা ছোট দৈর্ঘ্যের ছবি বলে ভালো লাগে। আবার কলকাতার সাথে সিরিয়ার শহরের প্যারালালিজম - বেশ আলাদা ধরণের প্রচেষ্টা বলে মনে হয়। আর ফিল্মের শেষে সাবটেক্সটের কথাগুলো একটু অপাংক্তেয় মনে হলেও, শৈল্পিক ছাড় দেওয়া যায়। কিন্তু ইন্দ্রনীল বাবুর কাছ থেকে আর একটু বেশি চাহিদাও থেকে যায়। "ফড়িং" বা "বাঙালি ভূতের গল্প"-এর মতো সারল্যের সাথে প্রাপ্তমনস্কতা যুক্ত করলে, উনি যে ম্যাজিকটি তৈরী করতে পারেন - ওনার কাছ থেকে সেরকম একটা প্রত্যাশা রয়েই গেল। যদিও বাংলার "চমকবাজ" ফিল্ম-মহলে উনি নিজের কাজ করার কতটা স্বাধীনতা পাবেন, সে ব্যাপারে সংশয় থাকছে। তবুও মানুষের সমবেত সাড়া দেওয়ার আশাটা এখনো রাখছি। Ritwick Chakraborty, Jaya Ahsan, Sohini Sarkar - সকলকে ধন্যবাদ, ফিল্মটার সাথে যুক্ত থাকার জন্য

Friday, June 23, 2017

অন্তরালে - Behind the scene

বিছানা-বালিশ-আদর ছাড়তে দিওনা আমায়,
টেবিল ফ্যানের শান্ত হাওয়া ভীষণ ক্লান্তিময়।
যেমন ক্লান্তি ভালোবাসায় পঁচিশ বছরে আসে,
দায়িত্বরাই পড়ে থাকে প্রেমের অবশেষে।
সংসার শুধু বাজার-করা, রান্না-অফিস পংক্তি,
প্রয়োজনহীন মৌনতার নিয়ম থাকে কয়েকটি।
নিয়ম-হিসেব মিলেমিশে বদ্ধ ঘরের প্রান্তর,
পরবর্তী প্রজন্মেও প্রভাব পড়ে মন্থর।
সময় আর দূরত্ব একদিন ছাড়ে বাড়িঘর,
জীবনের ডাকে ঠিকই দূরে সরে যায় সহোদর।
স্কুলপথে যাওয়া ছোট্ট হাত - এখন ভীষণ স্বাধীন,
আঙুলের ফাঁকে পেতে চায় বেমানান নোট রাতদিন।
বাস্তবের এই বাস্তবায়ন অসহ্য লাগে খুব,
মুক্তিবিহীন ধন্দের পঙ্কিল প্রতিরূপ।

Wednesday, June 21, 2017

লিঙ্গবৈষম্য এবং পাবলিক ট্রায়াল - Gender discrimination and public trials

যারা জানেন না বা miss করে গেছেন, তাদের জন্য দুটো সমান্তরাল ঘটনা জানিয়ে রাখা প্রয়োজন। প্রথম, Uber নামক যে app-টা ব্যবহার করেন আপনারা, সেই Uber কোম্পানির CEO Travis Kalanick গতকাল resign করেছেন। দ্বিতীয়, TVF-নামক একটি বিখ্যাত ভারতীয় মিডিয়া কোম্পানি, যেটি ২৫ লক্ষ YouTube ফলোয়ার নিয়ে ভারতের প্রথমসারির ওয়েব-মিডিয়া চ্যানেল, সেই কোম্পানির CEO-ও কিছুদিন আগে পদত্যাগ করেছেন। দুটি পদত্যাগেরই পিছনে আছে একই ধরণের ঘটনা।

কেন করলেন তারা পদত্যাগ? Susan Fowler নামের একজন IT-কর্মী Uber-এ কাজ করতেন। তিনি গত ১৯শে ফেব্রুয়ারী নিজের ওয়েবসাইটে একটি বিস্ফোরক লেখা লেখেন। তাতে তিনি অভিযোগ করেন যে, Uber কোম্পানিতে কাজের কালচার খুবই মহিলাবিরুদ্ধ। মানে মহিলাদের সহ্য করতে হয় তাদের বসের চোখরাঙানি। এছাড়াও মহিলাদের casual sexism-এর স্বীকার হতে হয়। এর পরই ভীষণ শোরগোল পড়ে যায় Uber এবং সিলিকন ভ্যালিতে। Susan-এর পরে আরো অন্যান্য মহিলারা (কেউ স্বনামে, কেউ নাম গোপন রেখে) একই অভিযোগ করেন Uber-এর কালচারের বিরুদ্ধে। এমনকি Uber-এর CEO এই কালচারকে nurture করেছেন, সেই অভিযোগ পর্যন্ত ওঠে। শেষ পর্যন্ত, কাল প্রায় ৪ মাস বাদে, Uber-এর CEO Travis পদত্যাগ করলেন।

TVF-এর ঘটনাও অনেকটা এরকমই। মার্চ মাস নাগাদ একটি মেয়ে তাঁর পরিচয় গোপন রেখে TVF-এর CEO অরুনাভ কুমারের দিকে sexual favor চাওয়ার অভিযোগ তোলেন। একটি ব্লগে তিনি তার ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এরপরে অনেকেই সেই অভিযোগের সমর্থনে এগিয়ে আসেন (স্বনামে এবং নাম গোপন রেখে)। Mumbai-এ FIR হয়, যদিও তার কোনো ফয়সালা হয়নি। কিন্তু অরুনাভ কিছুদিন আগে TVF-এর CEO পদ থেকে সরে গিয়েছেন।

এই দুটি ঘটনাতে যেটা খুব গুরুত্ত্বপূর্ণ, সেটা হল ওয়েব মিডিয়ার মাধ্যমে গোপন তথ্য বেরিয়ে আসা এবং তার বিপুল প্রচার পাওয়া। প্রচার পেতে টুইটার এবং ফেসবুক - দুটো মাধ্যমই প্রচুর সাহায্য করেছে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে, মানুষের হাতে যে কি ভীষণ পরিমান ক্ষমতা এখন রয়েছে - তার একটা আভাস এই দুটো ঘটনা থেকে পাওয়া যায়। মনে করিয়ে দেওয়া ভালো, Uber এখন সারা বিশ্বের অন্যতম highest valuable start-up কোম্পানি। সেই কোম্পানির CEO-কে সরিয়ে দেওয়ার মতো ক্ষমতা সাধারণ মানুষের হাতেও এখন থাকছে। তাই ইন্টারনেটের এই বিপুল সম্ভাবনা - প্রযুক্তি এবং বিজ্ঞানের এক ভীষণ উজ্জ্বল দিক।

কিন্তু এর সাথেই থেকে যাচ্ছে একটি সংশয়ের প্রশ্ন। দুটি ঘটনার কোনোটাতেই, কোনো কোর্টে এই অভিযোগগুলোর বিচার হয়নি। ফলে যা হয়েছে, তা হল সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা, বিচার, সমালোচনা, এবং কোম্পানির জনপ্রিয়তা কমে যাওয়া - এইসব। তাই বোঝা যাচ্ছে, মানুষের হাতে বিপুল ক্ষমতা আসার ফলে এক বিশাল দায়িত্ত্বও এসে পড়ছে। যদিও এ কিছু নতুন কথা নয়। কিন্তু আবারো মনে করিয়ে দেওয়া দরকার, আমাদের স্মার্টফোনগুলোর সাথে যতটা ক্ষমতা আমরা পকেটে নিয়ে ঘুরছি, আমরা যেন তাকে যথাযোগ্য দায়িত্ত্ব নিয়ে ব্যবহার করতে শিখি। নাহলে বিচার কিন্তু বড্ড বেশি একতরফা হতে শুরু করবে, সেই আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

নোট: এই লেখার পিছনের ভাবনা আমার নিজের নয়, বিভিন্ন ওয়েবমিডিয়া থেকে জড়ো করা। ভাষা আর বিস্তৃতি আমার।

Tuesday, June 20, 2017

গানে একদিন - Day in Songs

সকালে উঠতেই "ভোরের কুয়াশা" ঘুমের ঘোর কাটিয়ে দিল, যদিও জানালার বাইরে কুয়াশা ছিল না। এর বেশ কিছুটা পরে, অফিসে যখন git-এর branch manage করতে করতে আমি নাজেহাল, তখন হঠাৎই "দুপুরের খামোকা খেয়াল" মাথায় এলো। কয়েক ঘন্টা বাদে অফিস থেকে বেরিয়ে, ট্রেনের পর যখন বাসের দিকে এগোচ্ছি, শুনতে পেলাম কেউ গাইছে, "বন্ধু তোমায় এ গান শোনাবো বিকেলবেলায়।" এখন রাতের আকাশ বেশ পরিষ্কার, তাই সেখানে চলছে "আমার ভিনদেশি তারা"-দের আনাগোনা। চাঁদটাকে যদিও দেখতে পাচ্ছি না, হয়তো "চন্দ্রবিন্দু"-র আকার নিয়ে কোথাও লুকিয়ে রয়েছে।

Friday, June 09, 2017

ব্রিটেনের ২০১৭ স্ন্যাপ নির্বাচনে লেবারের সাফল্য - Labour's success in Britain's 2017 Snap Election

মানুষ, হ্যাঁ মানুষই পারে ইতিহাস রচনা করতে। যতবার ভাবি, আর কোনো আশা নেই, ততবার বৃহত্তর সমাজ ভাবতে শিখিয়েছে, না এখনো বাকি কিছু আছে। যেরকমভাবে United Kingdom (UK)-এ গতকাল ঘটে যাওয়া নির্বাচন বেশ কিছুটা আশার কথা শুনিয়ে গেল।

UK-তে প্রধান দুটি পার্টি, Conservative এবং Labour-পার্টির মধ্যে Labour, গতকালকের নির্বাচনে বেশ ভালো ফল করেছে, ৪০% ভোট নিয়ে। ৪২% ভোট পেয়েছে বর্তমানে ক্ষমতায় থাকা conservative. এই নির্বাচনে কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি, তবে Labour-এর এই ফলাফলের অন্য এক গুরুত্ব আছে। UK-এর দুটো পার্টিই দক্ষিণপন্থী ঘেঁষা পার্টি। আমরা জানি, Labour-এরই Tony Blair কিভাবে বুশের সাথে মিলে Iraq war শুরু করেছিলেন, যা ISIS জঙ্গি গোষ্ঠীর জন্মের জন্য একাংশে দায়ী। কিন্তু এই Labour পার্টি Tony Blair-এর পার্টি নয়। এই পার্টি Jeremy Corbyn-এর। কে এই জেরেমি কর্বিন?

জেরেমি কর্বিন Labour Party-এর ক্ষেত্রে সেই, Bernie Sanders আমেরিকার Democratic পার্টির কাছে যা। মানে দুজনেই দক্ষিণপন্থার পার্টিগুলোর ভিতরে বামপন্থী মতাদর্শের প্রবেশ ঘটিয়েছেন। এমনিতে অনেক neoliberal-পন্থীরাও এখন মানতে শুরু করেছেন যে, স্বাস্থ্য, শিক্ষার মতো ব্যাপারগুলোয় সরকারের প্রধান ভূমিকা থাকা উচিত। জেরেমি নিজেও সে কথা বলেছেন। কিন্তু জেরেমি তার নির্বাচনের ম্যানিফেস্টোতে আর একটি দুর্দান্ত clause রেখেছেন। কি সেই clause?

সেখানে বলা হচ্ছে, যখন কোনো কোম্পানি dissolve হয়ে যাচ্ছে, বা বেচে দেওয়ার মতো অবস্থায় চলে যাচ্ছে, তখন তা সরাসরি করা যাবে না। প্রথমে সেই কোম্পানীর কর্মীদের সুযোগ দিতে হবে, সকলে মিলে সেই কোম্পানি কিনে নেওয়ার, as a co-operative. সরকার দরকার হলে loan দিয়ে কর্মীদের সেই কেনায় সহায়তা করবে। কিন্তু সবার আগে কর্মীরা সুযোগ পাবে। বোঝা যাচ্ছে এটার ইঙ্গিত কোন দিকে?

এর মানে Air India বেচে দেওয়ার আগে কর্মীদের জিজ্ঞেস করতে হবে, তোমরা নিজেরা এই কোম্পানি চালাতে চাও কিনা। এর মানে কর্মীদের সমষ্টিগতভাবে, উৎপাদনের শিকড়টা অধিকার করার সুযোগ থাকছে। কিছু কথা শোনা শোনা লাগছে কি? "Seize the means of production"? আমি আশা করি না, বিপ্লব একদিনে চলে আসবে। আমি চাই না, রক্ত বিপ্লব নিয়ে আসুক। রক্ত হয়তো কিছু ঝরবে, কিন্তু আমরা সকলে মিলে সচেতন ভাবে চেষ্টা করলে, প্রকৃত পরিবর্তন আসতে পারে। তার জন্য সচেতনতা দরকার, পার্টি দরকার, লিডার দরকার, কিছু Bernie Sanders, Jeremy Corbyn-দের দরকার, আর নতুন ভাবনাচিন্তা করবার মতো ছেলেমেয়েদের দরকার। সেই নতুনরাই বার্নিকে ভোট দিচ্ছেন, জেরেমিকে ভোট দিচ্ছেন, আরো আশা দেখাচ্ছেন। সব কিছু শেষ হয়নি বন্ধুরা! শেষ হতে পারে না...

Thursday, June 08, 2017

কষ্ট না থাকার কষ্ট - Pain of not having the pain

কষ্টটাও আর না থাকার কষ্ট হয় সামান্য মাঝে মাঝে। সময়ের উপরে অভিযোগ বলতে স্রেফ ওটুকুই...

গন্ধ - Smell

পঞ্চইন্দ্রিয়ের কাজগুলোর মধ্যে দেখা আর শোনা-কে আমরা বেশ ভালোভাবে digitally replicate করতে পারি। কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা অনুভূতি, গন্ধ আহরণের ক্ষেত্রে আমরা বেশ অসহায়। বিভিন্ন perfume-এর মাধ্যমে আমরা চেষ্টা করেছি ভালো গন্ধগুলোকে বোতলবন্দি করার, কিন্তু বেশিরভাগ গন্ধই তো পারিনি। যেমন, সেদিন apartment থেকে বেরিয়ে রাস্তায় নেমেই মনে হল, উষ্ণতার কি গন্ধ হয়? তাহলে সে গন্ধ ভুলতে বসেছি।

উষ্ণতার গন্ধ কি কলকাতারও গন্ধ? তাহলে সেই কলকাতার গন্ধই বা ঠিক কি রকম? সেটা কি আরসালানের বিরিয়ানির গন্ধে শুরু হয়? নাকি যে ভিড়-বাসে করে, সন্ধ্যেবেলা কলকাতা থেকে হাওড়ায় ফিরতাম, সেই ভিড়ে দাঁড়ানো তন্বীর ফিকে-হতে-থাকে পারফিউম, আর বসের-ঝাড়-খাওয়া মধ্যবয়স্ক কোনো মানুষের সারাদিনের ক্লান্তির গন্ধের মিশেল? নাকি অন্য কিছু? গড়িয়াহাট থেকে প্রিয়া পর্যন্ত হেঁটে আসার সময়ে, দক্ষিণের আধুনিকতা, রেস্টুরেন্ট, শাড়ি, পাঞ্জাবি, ফুটপাথ, কম দামের জামাকাপড়, মিষ্টি, প্রেমিকার নখের নেলপলিশ, ফুচকার সমন্বয়ে তৈরি হওয়া গন্ধই কি উষ্ণতাকে মনে করায়? সেরকমটা হলে, তাপমাত্রা আর উষ্ণতার সম্পর্ক বোধ হয় শুধুই বৈজ্ঞানিক।

রসায়ন বিজ্ঞান বা কেমিস্ট্রির ল্যাবের গন্ধগুলোকে তাও আমরা নিজেরা চাইলেই তৈরি করতে পারি। কিন্তু নিজের বাড়ির গন্ধ? যেখানে ঢুকলেই প্রথম পাওয়া যায় মায়ের গন্ধ। এই গন্ধ বোধ হয় আমি একাই পাই। আর এই গন্ধকে ভাষায় ব্যক্ত করার মতো শব্দ, আমার অভিধানে নেই। তাই অন্য কেউ সে গন্ধ আমার কাছে এনেও দিতে পারবেনা। তবে যখন ওই লাইনগুলো শুনি, "মায়ের শাড়ি রেলিং থেকে ঝোলে", তখন কাছাকাছি একটা গন্ধের সন্ধান যেন পাই।

গান যেমন কখনো আঘ্রানের ছোঁয়া দেয়, অপ্রত্যাশিত মুহূর্তরাও তেমনি বেহিসেবি গন্ধদের বয়ে আনে। বহুমাস আগে একদিন হঠাৎই, স্নান করার সময়, মাথায় খেলে গেলো এক প্রাক্তন প্রেমিকার গন্ধ। তখন আবারও বুঝেছিলাম, নতুন "বাইশে শ্রাবণ"-এর গানটার কথাগুলোর মানে। সেই ছবিটাতে প্রসেনজিতের নাকি ক্রিমিনালদের গন্ধই প্রিয় ছিল। কিছু মানুষ বোধ হয় এরকমই হয়।

কিন্তু আমরা অনেকেই বৃষ্টিভেজা মাটি, পেট্রোল, নতুন খাতা, জামাকাপড়, খাবার - এসবের গন্ধ ছাড়িয়েও কোনো না কোনো অজানা গন্ধের মোহতে মাতোয়ারা। আর সেসব গন্ধকে বেঁধে রাখার ইচ্ছেও নেই, কারণ তারা তো অনুভূতি। অনুভূতি খোলা আকাশেই ছড়িয়ে থাক, "পারিজাতের মধুর গন্ধ"-এর মত।

Thursday, June 01, 2017

আমেরিকার প্যারিস ক্লাইমেট এগ্রিমেন্ট থেকে প্রস্থান - America's Exit from Paris Climate Accord

এলিয়েনরা যখন পৃথিবীর ধ্বংসাবশেষ পাবে, তখন তারা পৃথিবীর ইতিহাসে আজকের দিনটার গুরুত্ত্ব বেশ ভালো করে বুঝবেই। পৃথিবীকে রক্ষা করার আশা ক্রমশই কমছিল। আজ মোটামুটি শেষের দিকে যাত্রা শুরু হল। জানিনা, আর সামান্যও আশা আছে কিনা !

যে দেশটা সারা বিশ্বের ১৬% গ্রীন হাউস গ্যাস উৎপন্ন করে, বিশ্বের ২০% তেল খরচ করে, বিশ্বে মাথাপিছু energy consume করায় প্রথম, সেই দেশটাই আজ ঘোষণা করেছে, তারা নিজেদের Paris Climate Agreement থেকে সরিয়ে নেবে । এই Paris Agreement-এর মাধ্যমেই বিশ্বে fossil fuel ব্যবহার-করা বৃহৎ অগ্রণী দেশগুলি, নিজেদের fossil fuel consumption কমাবে বলে অঙ্গীকার নিয়েছিল। আমেরিকার জন্য সেই অঙ্গীকারটুকুর বাঁধনটাও আর রইলো না। মানে আবহাওয়া নিয়ে কোনোরকম আইনের বালাই নেই।

এর মানে Exxon Mobile, Chevron-এর মতো আমেরিকান কোম্পানিগুলি বিনা বাধায় প্রকৃতির ধ্বংসলীলা চালিয়ে যেতে পারে। অথচ গুগল, মাইক্রোসফট, স্পেস এক্স-এর মতো টেকনোলজি কোম্পানিগুলো প্রচুর চেষ্টা করেছিল, আমেরিকা যাতে Paris Agreement থেকে বেরিয়ে না যায়। যদিও এদের চেষ্টার খুব সৎ উদ্দেশ্যে ছিল না, কিন্তু সমস্যা এখন সেসবের বহু ঊর্ধ্বে চলে গেছে। তাই সেই উদ্দেশ্য নিয়ে এখানে বলছি না। যেখানে পৃথিবীটাই বাসযোগ্য থাকছে না, তো আর কোনো "ইসম"-এর কি-ই বা মানে !

শেষে বলি, পরবর্তী প্রজন্মকে পৃথিবীতে আনার আগে, বেশ ভালো করে একবার ভেবে নেবেন। কারণ আজ যা কিছু হচ্ছে, তার মূল আঁচটা ওরাই পেতে চলেছে, আমাদের কথা বাদ-ই দিন। কিন্তু পরবর্তী প্রজন্মের কথাই যখন উঠলো, তাই একটু আশার আলোর দিশা দিয়ে যাই। Massachusetts রাজ্য হিসেবে আজই ঘোষণা করেছে, দেশ যদিও Paris-এর চুক্তি মেনে না নেয়, তারা এই রাজ্যে ওই চুক্তি মেনে চলবে এবং renewable energy-এর ওপর জোর দেবে। তবে এই আশা, ঠিক যেন নিভতে থাকা প্রদীপের মতো, যার মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী।