Thursday, February 28, 2019

Gully Boy Rambling

Zindagi Na Milegi Dobara was the last Zoya Akhtar film which I watched in a theater. I watched the film at Menoka Cinema Hall in Kolkata. I still remember it, because it was during the last year of my college life, and I watched the film with Souvik, one of my best friends. Because of my age at that time, I really loved such a cinema, and I still do. However, Zoya ventured into different types of films later on. I again saw a Zoya Akhtar movie in a segment in Lust Stories, which was somewhat a different sort of experience. The short film was about a maid who was being taken advantage of. Of course, the film had a direct intonation to the differences in our society in terms of wealth. Gully Boy seems to continue from there on.

I wanted to watch Gully Boy because of Zoya Akhtar, although I do not like Ranveer Singh much. Zoya does not disappoint me at all. The film started by showing two contrasting worlds in Mumbai. The two worlds, which stay together, but actually are far apart. Ranveer is a college goer boy from the poor, slum world of Mumbai. And some other characters represent the posh, sophisticated Mumbai. In one scene, Ranveer, as a driver of a rich family, is driving the whole family which includes a daughter of Ranveer's age. The father in the family wants his daughter to go to Harvard for a Master's degree. He cautions his daughter that if she doesn't pursue Master's, then she can also land up just like Ranveer, a driver, in spite of holding a bachelor's degree. The father tells this in front of Ranveer, obviously as an insult, but without caring a zilch about Ranveer's dignity. Zoya here creates two realities for two young people. On one hand, Ranveer, although a graduate, can only work as a driver or a clerk. On the other hand, the rich girl can create her own version of success with a Harvard graduate degree, because she can afford it. Zoya creates the thesis of class struggle where the lower class Ranveer can't just do what he wants, but the rich girl can.

Next, Ranveer finds a creativity within him. He can terrific write rap songs. As it is widely seen in history, a tiny small fraction of the rich class extends their helping hands to the oppressed lower class. For example, in 70s Bengal, Naxal movement, an armed revolutionary leftist movement was highly supported by the well-educated middle and upper-middle class Bengali families. Here in Gully Boy, Kalki Koechlin, another rich kid, studying music in my current city Boston, appears in India and produces Ranveer's rap music to release in YouTube. Zoya is now creating a very classical antithesis against the same thesis I mentioned above. The lower class boy Ranveer is using the mediums provided by the rich class to topple them. YouTube, a product of consumerism, is being used by the fighting lower class to oust the higher class and its consumerist market.

This is the point to bring the topic of using the Azadi Song by Kanhaiya Kumar in the film. A section of the media tries to admonish Zoya for using the Azadi song. They complain that Kanhaiya Kumar's voice is against the consumerism for which the song is actually being used in the film. How can Zoya do that? Well, then how should the ideas behind the Azadi song be reached to the mass? This is where the liberals do not understand the leftist class struggle and dialectics. Capitalists create the tools and mediums for their own destruction. This is the classic contradiction in Capitalism. To be more specific, we cannot wait for the public to be self conscious by some imaginary means and understand the class struggle. We have to use popular Capitalist tools to spread the principles of class struggle. When time comes, the public will pick up the important beats, even from the market-focused products. Salil Chowdhury also said, it does not matter that his ideologically leftist songs are being commercialized. People may just listen to those songs for their own enjoyment for some time. However, when the same people face distress, they will be aware of their class in the society and will be inspired by the same art which was once only for the enjoyment.

So, thank you, Zoya! For using the Azadi song in such a movie. The Azadi songs do fit in the movie, may be not in a perfect way, but certainly not inconsequentially. The movie is surely about the class. Not only from Ranveer's perspective but also from Alia Bhatt's perspective. This girl from apparently a well-off family is fighting her own class struggle, the battle against religious and societal norms for women. I like that Zoya binds the feminist idea with the principles of class struggle. Most of the feminist liberals miss this connection, but Zoya does not seem to.

Finally, Zoya finishes off her dialectical journey with the synthesis where Ranveer becomes famous and transcends the class boundaries. Art by the means of Ranveer's rap songs breaks the barrier of class, where he finally sings his songs along with all his friends, the rich girl Kalki Koechlin and everybody else. However, Zoya knows that she is creating a mirage here. Only art cannot mitigate the class conflict. We need politics and economics. This is why one bosom friend of Ranveer ends up in jail because of his joblessness and consequent wrongdoings. This is probably metaphoric of referring that class struggle is, of course, not resolved by only arts. 

To conclude, the film revolves around class struggle. In relation to the controversy, artists do not need to make political statements, if their artistic creations are already speaking for themselves. So it's fine if Zoya does not speak out, for every issues that we are facing in India. In addition, actors are especially nothing in movies but just tools for the directors. So, it does not matter much what they say or do. A sickle itself is not political; but it becomes political when it is contextually used to symbolize the farmers' struggle. However, Zoya is obviously not a political filmmaker. So she sugarcoats this whole story of dialectics in a soothing environment to watch. The frames are too flat, polished and do not create any disturbances in the viewers' mind. There may be other cinematic flaws. Nevertheless, the film reinforces, the only eternal truth in our materialistic world is class and the struggle around it.

Saturday, February 09, 2019

Alexandria Ocasio-Cortez

Alexandria Ocasio-Cortez - নামটা যদি এখনো না শোনা হয়ে থাকে, তাহলে চটপট এনার ব্যাপারে কিছু তথ্য জেনে নেওয়া প্রয়োজন। নিউ ইয়র্ক শহরে পুয়ের্তো রিকান পরিবারে জন্ম, প্রসঙ্গত পুয়ের্তো রিকো আমেরিকার দক্ষিণে একটি আমেরিকান কলোনি রাজ্য। Alexandria বস্টন ইউনিভার্সিটি থেকে ইন্টারন্যাশনাল রিলেশন ও অর্থনীতি নিয়ে অনার্স পাশ করেন ২০১১ সালে। সেই সময়টায় সারা বিশ্বেই মন্দা চলছিল আর তাই চাকরি-বাকরির অবস্থা ছিল খুব খারাপ। Alexandria পড়াশোনার পর bar-এ, ফুড-স্টল-এ কাজ করা শুরু করেন, বাড়ির অবস্থাও খুব একটা ভালো ছিল না। এর কিছুদিনের ভিতরেই বার্নি স্যান্ডার্স ঘোষণা করেন যে, প্রেসিডেন্ট পদের জন্য তিনি লড়বেন। অনেক তরুণ- তরুণীর মতোই বার্নির হয়ে প্রচার শুরু করেন Alexandria। বার্নি শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট হতে পারেন না। কিন্তু ২০১৮ সালে Alexandria নিজে ভোটে দাঁড়াবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন।

নিউ ইয়র্কে শহরের যে অংশের বাসিন্দা ছিলেন Alexandria, সেখান থেকে ভোট দাঁড়াতেন ডেমোক্রেটিক পার্টির এক অন্যতম প্রভাবশালী, উচ্চপদের নেতা। Alexandria অভাবনীয়ভাবে সকলকে চমকে দিয়ে সেই নেতাকে হারান, আর আমাদের ভারতের ভাষায় বললে এম.পি নির্বাচিত হন। তার পরের গল্পটা কিছুটা রূপকথার আকার নিচ্ছে। সারা দেশেই বিপুল জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেন ২৯ বছরের এই মেয়েটি। ক্লাইমেট চেঞ্জ, সরকারি-সহযোগিতা-প্রাপ্ত স্বাস্থ্যব্যবস্থা, ফ্রি কলেজ এডুকেশন - এই জাতীয় নীতিগুলিকে শুধু প্রথম সারির রাজনৈতিক আলোচনাতে নিয়ে আসেন তাই নয়, যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে এই বিষয়গুলিকে তিনি ইতিমধ্যেই mainstream করে ফেলেছেন। কিন্তু Alexandria সম্পর্কে আমার এভাবে লেখার কারণ ওর অন্য একটি ব্যাকগ্রাউন্ড এবং অবশ্যই অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি।

Alexandria একটি রাজনৈতিক সংস্থার সদস্য। এই রাজনৈতিক সংস্থাই Alexandria-এর নির্বাচনের সময় তৃণমূল স্তরে জনসংযোগ আর প্রচারের কাজ করেছিল। সংস্থার নাম Democratic Socialists of America. এই সংস্থা কোনো রাজনৈতিক দল নয়, কিন্তু একটি পলিটিকাল অ্যাকশন গ্রূপ। এরা বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রার্থীদের সমর্থন করে ও প্রচার করে। এদের ওয়েবসাইট থেকে এদের রাজনৈতিক ও অর্থনীতিক দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যেতে পারে। তবে খুব ছোট্ট করে বললে, এরা সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী। তবে সোভিয়েত থেকে শিক্ষা নিয়ে এরা সমাজতন্ত্রের প্রশাসন থেকে গণতন্ত্রকে মুছে দিতে চাননা, তাই "ডেমোক্রেটিক"। তবে অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির দিক থেকে এরাও মনে করেন, সমাজতান্ত্রিক ভাবেই অর্থনীতির গঠন হওয়া উচিত, অনেকটা কো-অপারেটিভ মডেলে। নিও-লিবারেল ইকোনোমি এবং গ্লোবালাইজেশন-এর প্রবলভাবে বিরোধী এরা। Alexandria নিজেও এই মতবাদেই বিশ্বাস করে থাকেন। তাই Alexandria-এর এই জনপ্রিয়তা এবং সাফল্য এক নতুন দিশা দেখাচ্ছে।

আমেরিকার অর্থনীতি আমেরিকার নিচের সারির মানুষকে (৯৯%) যে তলানিতে ধীরে ধীরে নামিয়ে চলেছে, তাতে Alexandria-এর জনপ্রিয়তা বাড়াটা স্বাভাবিক। ছাত্রদের লোনের পরিমান আমেরিকায় নতুন নতুন রেকর্ড ছুঁয়ে চলেছে। যত কষ্ট করে মানুষ কলেজ ও ইউনিভার্সিটিতে পড়ছেন, সেই পরিমান লোন শোধ দেওয়ার মতো চাকরি পাওয়া যাচ্ছে না। প্রান্তিক মানুষেরা স্বাস্থ্য পরিষেবার সুযোগ নিতে গিয়ে প্রাইভেট কোম্পানিগুলোর কাছে দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছেন। এই অবস্থায় Alexandria-এর মতো তরুণীর মূল রাজনীতিতে আসাটা একটা আলাদা উত্তেজনা নিয়ে এসেছে রাজনৈতিক বৃত্তে। ওঁকে দেখে যদি আরো নতুন মুখ এই আদর্শকে পাথেয় করে তোলেন, তাহলে আশ্চর্যের কিছু থাকবে না।